আড্ডায় বিকাশ দাশ

Life24 Desk   -  

জীবনের সঙ্গে লড়াই করতে করতে তাঁর বড় হওয়া। কবিতার জন্য ঘর ছাড়া। সেই থেকে আর ঘরে ফেরা হয়নি আজও। খাবার জুটেছে কখনও একবেলা, কখনও তা-ও জোটেনি। তাই বলে থেমে থাকেনি কলম। দেশের একপ্রান্ত থেকে আর এক প্রান্ত তিনি ছুটে বেরিয়েছেন। সবুজে মোড়া গ্রাম বাংলার আঞ্চলিক সাহিত্যকে পৌঁছে দিতে চেয়েছেন ইট-কাঠ-কংক্রীটে মোড়া নাগরিক জীবনের কাছে। আর এখানেই তাঁর লড়াই। লাইফ ২৪-এর আড্ডায় সে কথাই বললেন আঞ্চিলক কবি বিকাশ দাশ।

লাইফ ২৪: আপনার ছোটবেলা কেমন কেটেছে?

বিকাশ দাশ: আমার ছোটবেলাটা জীবনের সাথে লড়তে লড়তে কেটেছে। আর পাঁচটা ছেলের মত আমি মানুষ হয়নি। আমার বাবা-মা ছিলেন খুব গ্রামীণ সভ্যতার এবং তথাকথিত অ্যাকাডেমিক শিক্ষা থেকে দূরে। যার কারণে আমার শিক্ষা তেমনভাবে এগোই নি। পড়তে পাইনি, বই পাইনি, জামাকাপড় ছিল না, খেতে পেতাম না। ভীষণ দারিদ্র্যের মধ্যে কাটাতে হয়েছিল।

লাইফ ২৪: আপনার প্রথম স্কুলের নাম কি ছিল?

বিকাশ দাশ: আমাদের গ্রামে গাছতলায় স্কুল হত। গাছতলায় ৫ জন ছাত্র বসতাম, মাস্টারমশাই-এর গায়ে সর্ষের তেল মাখাতাম- বেশ মনে আছে। মাস্টারমশাই আমাদের দু’বেলা পড়াতেন। সরকারি মাইনে পেতেন কিন্তু গ্রামে থাকতেন বলে উনি দু’বেলা পড়াতেন। আর চাবুক মারতেন, শিক্ষাটা এমন ভালো দিয়েছেন যে আজও গুরুদেবকে আমার মনে আছে।

লাইফ ২৪: ওনার নাম মনে আছে আপনার?

বিকাশ দাশ: অমুল্য রতন পাইল। এখনো মনে পড়ছে আমরা স্নান করতে গেলে নজর রাখতেন। এমন শিক্ষক এখন আর পাওয়া যাবে না।

লাইফ ২৪:  লেখালেখির সূত্রপাত কিভাবে করলেন?

বিকাশ দাশ: আমার বাবার শিক্ষাগত ডিগ্রি না থাকলেও, কবিতা খুব ভালো বলতেন আর মুখস্ত রাখতেন। ছোটবেলায় যখন মাঠে যেতাম খেজুরের রস খেজুরের রস পাড়তে, তখন বাবা গান গাইতেন আর কবিতা বলতেন আর আমি শুনে শুনে রপ্ত করে ফেলতাম। সেই থেকেই কবিতার প্রতি টান তৈরি হয়। কবিতার প্রথম স্পর্শটা বাবার কাছ থেকেই পেয়েছিলেম। উনি মৃত্যুর সময়ও জীবনানন্দ দাশের কবিতা আবৃতি করে মারা গেছেন।

লাইফ ২৪: সাহিত্য আপনার জীবনকে কিভাবে প্রভাবিত করেছে?

বিকাশ দাশ: আমি নেশায় লিখেছি। কবিতাকে ভালোবেসে লিখেছি। ক্লাস সেভেনে প্রথম কবিতা লিখেছি এখনও মনে আছে। একাদশ শ্রেণীতে সেই কবিতা ছাপা হয়। স্কুলে দেওয়াল মেগেজিন হত সেখানে লিখতাম।

লাইফ ২৪: আচ্ছা আপনি তো আঞ্চলিক ভাষায় কবিতা লিখছেন। এই ভাবনাটা প্রথম কখন এসেছিল?

বিকাশ দাশ: আমাদের পুরুলিয়া জেলায় অধিকাংশটাই আদিবাসী সম্প্রদায়। পাশের বাড়িতেই দেখেছি সাঁওতাল থাকত। তাদের হাঁটা-চলা-জীবিকা সব দেখেছি। তাদের জীবন, তাদের খেটে খাওয়া, তাদের ধান চাষ, তাদের হাঁড়িয়া, মাদল- এসব দেখে আমি বড় হয়েছি। এই পরিমণ্ডলে সেখানকার উপভাষাটি আমার মধ্যে ছাপ ফেলেছে।

আমার গুরুদেব হচ্ছেন মোহিনীমোহন গঙ্গোপাধ্যায়, পেশায় প্রাইমারি শিক্ষক ছিলেন। তাঁর সাথে আমি শতাধিক প্রোগ্রাম করেছি। উনি পুরুলিয়া থেকে আসতেন। কলকাতায় এসে প্রোগ্রাম করতেন। এখন তিনি বৃদ্ধ হয়েছেন। তিনিই বলতেন “বিকাশ উপভাষাটিকে ধরে রাখিস।“ উপভাষাটিকে আমি প্রথম দিন থেকে লালন করে আসছি। আমি প্রতিটি অনুষ্ঠানে বিশেষ কয়েকটি কবিতা পাঠ করি, আর সেগুলো জনপ্রিয়তা পায়। আসতে আসতে দেখেছি মানুষের মধ্যে আমার কবিতাকে ভালোলাগা শুরু হয়েছে।

লাইফ ২৪: আমি আপনার একটা কবিতা শুনেছিলাম নন্দনে একটি সাহিত্য অনুষ্ঠানে। আপনার কবিতা পাঠ আমার ভীষণ ভালো লেগেছিল। আপনি কি আবৃত্তি শিখেছেন?

বিকাশ দাশ: না, আমি কোথাও আবৃত্তি শিখেনি। আমি নিজের কবিতা নিজের মত করে বলি। কলকাতার মানুষ তো আমার ফ্লেভারটা জানে না। আমার ফ্লেভারটাতো পুরুলিয়ার। সেই জন্যই তোমার ভালো লেগেছে ভাই, আমি জানি।

লাইফ ২৪: আঞ্চলিক ভাষায় কবিতার এখন বর্তমান পরিস্থিতি কি?

বিকাশ দাশ: ইতিমধ্যে আমি দেখছি কলকাতা থেকে কিছু মানুষ, সুবিধাভোগী মানুষ যারা মান্যভাষাতে জনপ্রিয়তা না পেয়ে উপভাষাতে সস্তায় প্রচার পেয়ে কবিতা লেখার চেষ্টা করছে। তারা করলেন কি এই ‘বটে’, ‘মটে’ লাগিয়ে বললেন কি যে এটাই উপভাষা। আমাদের পুরুলিয়া আপনি গেলেন না। কলকাতায় থেকে পুরুলিয়ার সংস্কৃতি-ভাষা আপনি জেনে গেলেন? আপনি ভাষার শত্রুতে পরিনত হচ্ছেন। আমি আজকে বলতে চাই- আপনি যা কিছু বলবেন? আপনি যা কিছু বলছেন তাতে ভাষাটা সম্পর্কে বাজে একটা বার্তা পৌঁছাচ্ছে পাবলিকের কাছে।

এখন কোন একজন, আমি কবির নাম করব না, লিখছেন যে “বিরিজ বানিয়ে শোয়া করা”। বানিয়েটা সাধু হয়ে গেল। এতে প্রকৃতপক্ষে আমার ভাষাটা, মাটির ভাষাটার বারোটা বেজে যাচ্ছে। একটা ভুল বার্তা যাচ্ছে যে ওদের ভাষাটাই আসল উপভাষা, বিকাশ দাশেরটা নয়। এইখানে আমাকে লড়তে শুরু করেছি।

লাইফ ২৪: এই যে সংগ্রামটা শুরু করলেন এটাকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবেন?

বিকাশ দাশ: আমি পুরুলিয়া-বাঁকুড়া এইসব জায়গায় যাচ্ছি। তাছাড়া ফেসবুক তো আছেই। ফেসবুকের মাধ্যমেই আমি প্রথম বলেছিলাম যে আমি উপভাষাকে নিয়ে সারা বাংলা কবিতা উৎসব করতে চাই।

লাইফ ২৪: সারা বাংলা কবিতা উৎসব তো আপনি করেলেন কিছুদিন আগে।

হ্যাঁ গত ৫ই আগস্ট আমি করেছি অ্যাকাডেমী হলে। আর খুব সফলও হয়েছি। শুশু গান, ভাদু গান, ঝিমুর গান এসবও হয়েছে। আবার উত্তরবঙ্গ, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন আঞ্জলিক ভাষা যেমন চাই, রাজবংশি, ঝাড়খন্ডি ভাষা নিয়ে কবিতার উৎসব হয়েছে।

লাইফ ২৪: আঞ্চলিক ভাষায় লেখালেখির ভবিষ্যৎ আপনি কিভাবে দেখছেন? আগামী প্রজন্ম এটাকে কিভাবে ধরে রাখবে?

বিকাশ দাশ: কবিরা সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ। আমি পুরুলিয়ার সন্তান, সুতরাং পুরুলিয়ার ভাষাটাকে আমি মানুষের কাছে পৌঁছে দেবো। এটা মাটির লালিত ভাষা। এটাকে ফেলে দিলে চলবে না। আমি বেশ কিছু পত্র-পত্রিকার কাছে অনুরোধ করেছি উপভাষার ভাষায় একটা বিভাগ খুলতে। আট-দশটি পত্রিকা উপভাষার বিভাগ খুলেছে। মানভুম সংবাদপত্র আমাদের স্বাগত জানিয়েছে।

লাইফ ২৪: সারা বাংলা কবিতা উৎসবের মূল উদ্দেশ্য কি ছিল?

বিকাশ দাশ: মূল উদ্দেশ্য ছিল কলকাতার কিছু মানুষ যারা উপভাষাটিকে ভুলভাবে তুলে ধরছে, সেটাকে তুলে ধরা আর আমার প্রকৃত ভাষাটাকে কলকাতায় তুলে ধরা।

লাইফ ২৪: প্রশাসনের পক্ষ থেকে কি ধরনের সাহায্য পেয়েছেন?

বিকাশ দাশ: আমি সুবোধ সরকারের সাথে কথা বলেছি। উনি বলেছেন চেষ্টা করবেন।

জঙ্গলমহলে কি কি হল আমি দেখে আসলাম। আসলে জঙ্গলমহলে জঙ্গলমহলের লোকই ছিল না। কলকাতার কিছু মানুষ আর উত্তরবঙ্গের কিছু মানুষ শুশু গান গাইছে। আমার দেখে মাথা গরম হয়ে গেল। আপনি উচ্চারনই করতে পারেন না, শুশু গাইতে এসেছেন। ইয়ারকি নাকি? এইগুলো দেখে ব্যথা লাগে।

লাইফ ২৪: লিখতে গিয়ে কি কি প্রতিবন্ধকতার শিকার হয়েছেন?

বিকাশ দাশ: প্রতিবন্ধকতা প্রচুর। একটা অনুষ্ঠান করার মত আর্থিক সংগতি আমার নেই। আগেরবার অনেক মানুষ সাহায্য করেছেন।

লাইফ ২৪:  কোন কোন সাহিত্যিকরা আপনার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে?

বিকাশ দাশ: আছে অহু মানুষ আমার পাশে আছে। কবি সুবোধ সরকার নিজেই আছেন। বিধান শীল, বিবেকানন্দ ত্রিপাঠি, সমজিত আচার্য, তপন মণ্ডল, অনেকেই আছেন।

লাইফ ২৪: আপনার কি কোন আক্ষেপ আছে?

বিকাশ দাশ: কলকাতায় আমরা ঠিক সেভাবে প্রমোট পাইনি। কলকাতার প্রকাশনীগুলো পাশে থাকেনি। আমার নিজের সামর্থ নেই বই করার। আজন্ম বেকার আমি, আমার ঘোরে বিছানা পর্যন্ত নেই। একবেলা খেতে পাইনা এমনও দিন যায়। প্রকাশনীগুলো সব কলকাতা কেন্দ্রিক। কলকাতার কিছু কবি গ্রাম-বাংলার সাহিত্যিকদের উঠতে দিচ্ছে না। তবে গ্রামে অনেক সোনা আছে। দয়াময় মাহান্তি বলে একটা ছেলে অসাধারন লেখে। “দেশ”-এর বহু কবিতাকে ও চ্যালেঞ্জ করতে পারে। কমার্শিয়াল যেসব পত্র-পত্রিকা তারা আমাদের মত মানুষদের ছায়া মারায় না। ওখানে শঙ্খ ঘোষের, জয় গোস্বামীর কবিতা ছাপলে তবে তো পত্রিকার বিক্রি বাড়বে। বিকাশ দাশের কেন ছাপাবে?

লাইফ ২৪: নবীন বয়সে লিখতে গিয়ে কেউ এমন যে আপনাকে আটকাতে চেষ্টা করেছে?

বিকাশ দাশ: আটকাতে তো ঘর থেকেই চেয়েছে। দাদাই বলেছিল “কবিতা লেখে মাঠে ফসল ফলানো যায়না। খাট, পড়াশোনা কর আর মাঠে কাজ কর।“ বাড়ি থেকে ডায়েরি পুরিয়ে দিয়েছিল এখনও মনে আছে।

দুটো ভাতের জন্য গণ্ডগোল লেগেছিল ভাইয়ে ভাইয়ে, তাতে আমি বাড়ি ছেড়ে দিলাম। আসানসোলে পালিয়ে চায়ের দোকানে কাজ করতাম। ৩ বছর ওখানে ছিলাম। তারপর টিউশনি শুরু করি। আর কখনও বাড়ি ফিরেনি।

আর আমি নিজেই আটকে গেছি। আমার পয়সাই নেই। তবে মনোজ মন্ডল নামে একজন আমাকে খুব সাহায্য করেছে।

লাইফ ২৪:  তরুণ কবিদের সম্পর্কে আপনি কি বলবেন?

বিকাশ দাশ: ভীষণ ভালো লিখছে। অনেকেই খুব ভালো লিখছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী নতুনরা খুব ভালো লিখছে।

লাইফ ২৪:  আপনি তো অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। সে বিষয়ে কিছু বলুন।

বিকাশ দাশ: পুরস্কার পেতে সবারই ভালো লাগে। কিন্তু যারা পুরস্কার পায়নি তারাও কিন্তু কোন অংশে কম না।

লাইফ ২৪:  যে সমস্ত বড় অ্যাওয়ার্ড, সেগুলোতে কি কোন পলিটিক্যাল ফেক্টর কাজ করে?

বিকাশ দাশ: এটা কি বলব ভাই? বুঝতেই পারছ। স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে। প্রশ্নটার মধ্যেই উত্তর আছে।

লাইফ ২৪: প্রশাসনের কি উচিত লিটল মেগেজিনগুলোকে সাহায্য করা?

বিকাশ দাশ: হ্যাঁ। এটা খুব বড় কাজ করেছে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লিটল মেগেজিনগুলোকে আর্থিক সাহায্য করবেন- এটা খুব ভালো উদ্যোগ। আমি শুভেচ্ছা জানাবো আর ধন্যবাদও দেবো।

লাইফ ২৪: আপনার এই দীর্ঘ সাহিত্য জীবনের এমন কোন ঘটনা যেটা আপনাকে খুব প্রভাবিত করেছে।

বিকাশ দাশ: আমি ২০১৮ তে সুবোধ দার সাথে লাঞ্চ এবং ডিনার সারলাম। এটা আমার জীবনের অত্যন্ত প্রভাবিত সময়। এবং সুবোধ দার ‘সারি’ কবিতাটি উপভাষায় অনুবাদ করেছি এবং সুবোধ দা’কে শুনিয়েছি।

Spread the love

আপনার প্রিয় ‘সাহিত্য’ ওয়েব ম্যাগাজিনে আপনিও লিখে পাঠাতে পারেন কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ। সঙ্গে উপযুক্ত ইলাসট্রেশনও পাঠাতে পারেন। সমস্ত লেখার ক্ষেত্রেই কোনও শব্দসীমা নেই। লেখা পাঠাবেন ইউনিকোডে টাইপ করে। ইউনিকোড ছাড়া কোনও লেখাই গ্রহণ করা হবে না। লেখা পাঠাবেন editor.sahityo@gmail.com আইডি-তে। কোন সেগমেন্টের লেখা পাঠাচ্ছেন, তা মেলের সাবজেক্টে অবশ্যই লিখে দেবেন।

 

‘সাহিত্য সংবাদ’ বিভাগে ২-৩টি ছবি সহ ইউনিকোডে লিখে পাঠান আপনার সাহিত্য সংস্থার খবর। শব্দসীমা ৩৫০ থেকে ৪০০ শব্দের মধ্যে রাখবেন। লেখা ও ফটো পাঠাবেন editor.sahityo@gmail.com আইডি-তে। মেলের সাবজেক্টে ‘সাহিত্য সংবাদ’ অবশ্যই লিখে দেবেন।

 

আপনার বা আপনাদের যদি কোনও লিটল ম্যাগাজিন থাকে, তাহলে সেই ম্যাগাজিন সম্পর্কে ৩৫০ থেকে ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে ২-৩টি ফটো সহ মেল করুন editor.sahityo@gmail.com আইডি-তে। মেলের সাবজেক্টে ‘লিটল ম্যাগাজিন’ অবশ্যই লিখে দেবেন।

 

আপনার প্রকাশিত বই বা আপনার প্রকাশন সংস্থার প্রচারের জন্য ‘সাহিত্য’ ওয়েব ম্যাগাজিনকে নির্বাচন করতে পারেন। এই ওয়েব ম্যাগাজিনে খুব কম খরচে আপনার বই কিংবা প্রকাশন সংস্থার বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন। বিস্তারিত জানার জন্য মেল করুন advt.bearsmedia@gmail.com আইডি-তে।

 

# ‘সাহিত্য’ ওয়েব ম্যাগাজিন বা এই ওয়েব ম্যাগাজিনের লেখা সম্পর্কে আপনার মতামত লিখে জানান নিচের কমেন্ট বক্স-এ।